বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে কোনো সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি হিসেবে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সীমান্ত বিরোধ একটি সাধারণ সমস্যা, যা দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান থাকতে পারে। এই ধরনের বিরোধের ফলে পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং ধীরে ধীরে যুদ্ধের আবহ সৃষ্টি হয়। তবে আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় কোনো রাষ্ট্রই সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে আগ্রহী নয়। ভারত বর্তমানে একটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র। ভারতের মতোই রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইসরায়েল প্রভৃতি রাষ্ট্রও পরমাণু অস্ত্রসমৃদ্ধ। এই ধরনের শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ এড়িয়ে চলতে সচেতন, কারণ প্রত্যক্ষ যুদ্ধের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ ও ধ্বংসাত্মক হতে পারে। এই কারণেই আধুনিক সময়ে যুদ্ধের পরিবর্তে পরোক্ষ উপায়ে, বিশেষত অর্থনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব পরিচালিত হয়।
বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের সূচনা হয়েছিল প্রাগৈতিহাসিক যুগে। সে সময় মানুষ নিজেদের মধ্যে পণ্য বিনিময়ের মাধ্যমে বাণিজ্য পরিচালনা করত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্য ব্যবস্থার বিবর্তন ঘটে এবং স্বর্ণ ও ধাতুর মাধ্যমে, পরবর্তীকালে মুদ্রার বিনিময়ে পণ্য কেনাবেচা শুরু হয়। খ্রিস্টপূর্বাব্দ ১৭০০ পর্যন্ত বিশ্ব অর্থনীতিতে তুলনামূলকভাবে বাণিজ্যিক মুক্ততা বিদ্যমান ছিল; অর্থাৎ ব্যবসায়ীরা সহজেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে পণ্য নিয়ে গিয়ে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারত। তবে খ্রিস্টপূর্বাব্দ ১৭০০–১৮০০ শতকের মধ্যে প্রথমবারের মতো বিশ্ব বাণিজ্যে সংগঠিত বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্গত একটি নগরীতে (বর্তমান তুরস্কে অবস্থিত) মধ্যপ্রাচ্যের কিছু ব্যবসায়ী বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে পণ্য নিয়ে উপস্থিত হয়েছিল। ওই নগরীর শাসকগোষ্ঠী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ মূল্য দাবি করে বাণিজ্যের অনুমতি প্রদান করে। এই অর্থ মূলত ওই অঞ্চলে বাণিজ্য পরিচালনা এবং বাণিজ্যপথ ব্যবহারের বিনিময়ে আদায় করা হতো। তৎকালীন সময়ে এই ধরনের কর বা খাজনাকে “নিশাতুম (Nishatum)” বলা হতো। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল রাজকোষ সমৃদ্ধ করা; বাণিজ্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা নয়। সুতরাং বলা যায়, প্রাথমিক পর্যায়ে বাণিজ্যিক কর ব্যবস্থা অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের চেয়ে রাজস্ব আহরণের মাধ্যম হিসেবেই ব্যবহৃত হতো। পরবর্তী সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন সভ্যতায় বাণিজ্যিক কর ব্যবস্থার প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। প্রাচীন গ্রিসে এই কর পরিচিত ছিল “পেন্টেকোস্তে (Pentekoste)” নামে, রোমান সাম্রাজ্যে একে বলা হতো “পোর্টোরিয়া (Portoria)”, মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতে এই ধরনের কর “শুল্ক” নামে পরিচিত ছিল। এসব ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজস্ব আহরণ, যদিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। পরবর্তীকালে মধ্যপ্রাচ্যের ব্যবসায়ীরা যখন অন্য দেশে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে পণ্য নিয়ে যেত, তখন তারা পণ্যের তালিকা ও নির্ধারিত মূল্য সংবলিত একটি নথি সঙ্গে রাখত। আরবি ভাষায় এই মূল্যতালিকাকে বলা হতো “তা’আরিফ (Taʿrīf)”। এই তা’আরিফ শব্দটির ইংরেজি উচ্চারণ ও রূপান্তর থেকেই “Tariff” শব্দটির উৎপত্তি ঘটে। বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ হিসেবে শুল্ক বা ট্যারিফের ব্যবহার মূলত ব্রিটিশদের হাত ধরেই ১৭০০ শতকে সুসংগঠিতভাবে শুরু হয়। ১৪৯৮ সালে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো ডা গামা-র ভারতে আগমনের মাধ্যমে ইউরোপের সঙ্গে ভারতীয় উপমহাদেশের সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ স্থাপিত হয়। এর ফলে ভারত ও চীন থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য ইউরোপে, বিশেষত ইংল্যান্ডে রপ্তানি হতে থাকে। ধীরে ধীরে লক্ষ্য করা যায় যে ভারতীয় ও চীনা বস্ত্রের ব্যাপক আমদানির কারণে ইংল্যান্ডের দেশীয় বস্ত্রশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভারত ও চীনের বস্ত্র ছিল ব্রিটিশ দেশীয় বস্ত্রের তুলনায় অনেক সস্তা, ফলে ব্রিটিশ বাজারে এসব আমদানিকৃত বস্ত্রের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে ইংল্যান্ডের দেশীয় বস্ত্র উৎপাদনের ওপর, যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের অভ্যন্তরীণ বস্ত্র উৎপাদকদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭০০ ও ১৭২১ সালের ক্যালিকো আইন (Calico Acts) প্রণয়ন করে। এই আইনের মাধ্যমে ভারতীয় ও চীনা বস্ত্রের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়, যার ফলে ব্রিটিশ বাজারে এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায় এবং সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে চাহিদা হ্রাস পায়। এই নীতির সাফল্যের পর ইউরোপের অন্যান্য দেশও ধীরে ধীরে অনুরূপ বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা ও শুল্কনীতি গ্রহণ করতে শুরু করে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল নিজেদের দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা প্রদান এবং জাতীয় উৎপাদন ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা।
প্রাথমিক পর্যায়ে বাণিজ্যের ওপর শুল্ক (Tariff) আরোপ করা হতো মূলত সেইসব পণ্যের ওপর, যেখানে দেশীয় উৎপাদকরা বিদেশি পণ্যের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতো। প্রকৃতপক্ষে, যেকোনো দেশের শুল্কনীতি এমনভাবেই গঠিত হওয়া উচিত—যাতে কৌশলগত খাতসমূহ সুরক্ষিত থাকে এবং জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ থাকে। তবে এই নীতির অপব্যবহার ও অনিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ থেকে প্রকৃত সমস্যা শুরু হয় ১৯২৯ সালের গ্রেট ডিপ্রেশন (Great Depression) -এর সময়। এই সময় আমেরিকাতে মারাত্মক অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেয়। শেয়ারবাজার ধসে পড়ে, শিল্প উৎপাদন কমে যায় এবং বেকারত্বের হার অভূতপূর্বভাবে বৃদ্ধি পায়। এই সংকট থেকে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ১৯৩০ সালে প্রায় সব আমদানিকৃত পণ্যের ওপর অত্যন্ত উচ্চহারে শুল্ক আরোপ করে, যার হার ছিল প্রায় ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ। উদ্দেশ্য ছিল দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই নীতির নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পড়ে সমগ্র বিশ্ব অর্থনীতিতে। যুক্তরাষ্ট্রের অনুসরণে অন্যান্য দেশও আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক বৃদ্ধি করতে শুরু করে। এর ফলে বিশ্ব বাণিজ্য মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়, বৈশ্বিক GDP হ্রাস পায় এবং আন্তর্জাতিক বেকারত্বের হার আরও বৃদ্ধি পায়। এই অভিজ্ঞতা থেকে অর্থনীতিবিদরা উপলব্ধি করেন যে, যেকোনো অর্থনৈতিক নীতির একটি সুপরিকল্পিত কাঠামো থাকা আবশ্যক; অপরিকল্পিত ও প্রতিক্রিয়াশীল শুল্কনীতি দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলো, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, এই উপলব্ধিতে পৌঁছায় যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে একটি সমন্বিত ও নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। এরই ফলস্বরূপ ১৯৪৭ সালে গ্যাট (GATT) (General Agreement on Tariffs and Trade) গঠিত হয়। গ্যাট এর মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বৈষম্য দূর করা এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শুল্কের সমতা নিশ্চিত করা। এই ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি ছিল এম এফ এন (MFN) (Most Favoured Nation) ক্লজ। এর অর্থ হলো, কোনো দেশ যদি একটি সদস্য দেশের পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে শুল্ক আরোপ করে, তবে সেই একই হারে শুল্ক অন্য সব সদস্য দেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ কোনো দেশকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া যাবে না; সবাইকে সমানভাবে বিবেচনা করতে হবে। তবে এই MFN নীতিই যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর জন্য সমস্যার সৃষ্টি করে। কারণ তারা নিজেদের মধ্যে কম শুল্কে বাণিজ্য করলেও অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে বেশি শুল্ক আরোপ করত। এই সীমাবদ্ধতা এড়ানোর জন্য পরবর্তীকালে দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে Free Trade Agreement (FTA) বা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ধারণা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, যার মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো কম শুল্ক বা শুল্কমুক্ত বাণিজ্যের সুযোগ পায়। পরবর্তীকালে গ্যাট এর পরিবর্তে গঠিত হয় World Trade Organization (WTO)। তবে বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তিতে WTO কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। এটি একটি বহুল স্বীকৃত বাস্তবতা।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ এই প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্ন ওঠে, বিশ্বায়নের যুগে যুক্তরাষ্ট্র কেন ভারতের মতো একটি কৌশলগত অংশীদারের ওপর এত উচ্চ শুল্ক আরোপ করল? এর উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের ভূরাজনীতির দিকে নজর দিতে হবে। স্বাধীনতার পর থেকেই ভারত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ভারতের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র খাদ্য উৎপাদনে বিপুল জোর দেয়। সেই সময় বিশাল সৈন্য বাহিনীর জন্য খাদ্যের যোগান দেওয়ার জন্য, গুনগত মান নয়, পরিমানের ওপর জোর দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। যার ফলে ঐসময় আমেরিকাতে নিম্নমানের বিপুল পরিমাণ গম উৎপাদিত হয়। এই উদ্বৃত্ত গম (PL-480) রপ্তানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে প্রস্তাব দেয়, ডলারের পরিবর্তে ভারতীয় রুপিতে মূল্য পরিশোধের সুযোগ দিয়ে। তৎকালীন খাদ্যসংকটে জর্জরিত ভারত এই প্রস্তাব গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। তবে এর ফলস্বরূপ ভারতের দেশীয় গম উৎপাদকরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কারণ কমদামি আমদানিকৃত গমের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। ধীরে ধীরে ভারতের দেশীয় উৎপাদন কমে যায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের গমের ওপর একটি নির্ভরশীলতা তৈরি হয়। খাদ্যশস্য যেহেতু একটি কৌশলগত পণ্য, তাই যুক্তরাষ্ট্র এই নির্ভরশীলতাকে বিভিন্ন সময়ে ভূরাজনৈতিক চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। এই অভিজ্ঞতা থেকেই ভারত কৃষি ও দুগ্ধ খাতকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য আমদানিকৃত কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করে আসছে। এই দুটি খাত শুধু খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত নয়, বরং বিপুল কর্মসংস্থান ও ভোটারদের জীবিকার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত। ফলে কোনো সরকারই এই খাতগুলোকে হঠাৎ করে উন্মুক্ত করে সামাজিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি নিতে চায় না। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র–চীন শুল্কযুদ্ধের পর চীনের বিশাল বাজার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র তার উদ্বৃত্ত কৃষিপণ্যের জন্য ভারতের বাজারকে বিকল্প হিসেবে দেখছে। কিন্তু ভারত কৃষি ও দুগ্ধ খাতের সুরক্ষা প্রত্যাহারে অনড় অবস্থান নিয়েছে। এর ফলেই উভয় দেশের মধ্যে শুল্কসংক্রান্ত টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর রাজনৈতিক সমর্থনের বড় অংশ হল গ্রামীণ কৃষকরা। তাদের স্বার্থ রক্ষার চাপও এই শুল্কনীতির পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। এই বাণিজ্য সংঘাতের ফলে ভারতের সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণেই ভারত বর্তমানে একাধিক ছোট ও মধ্যম দেশের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তি করছে, যাতে বিকল্প বাজার খুঁজে পাওয়া যায়। এই বাণিজ্য যুদ্ধের চূড়ান্ত পরিণতি ভবিষ্যতেই স্পষ্ট হবে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্ক মোকাবিলায় ভারতের কৌশলগত অবস্থান যে ভবিষ্যৎ ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।
লিখেছেন :